ফাঁড়ি সমূহ

যে সকল এলাকায় মূল পুলিশ ষ্টেশন থেকে আইন-শৃংখলা রক্ষা করা অসুবিধা হয়, সে সকল এলাকায় স্থানীয়ভাবে আইন-শৃংখলা রক্ষার জন্য যে পুলিশ ক্যাম্প গঠন করা হয় তাকে ফাঁড়ি বলা হয়। ফাঁড়ি থানার অন্তভুর্ক্ত এবং থানার অফিসার ইনচার্জের অধীনে থাকে। থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে পুলিশি কার্যক্রম চালাতে হয়। পুলিশ ফাঁতিতে কোন মামলা রুজু করা যায় না, জিডি করে থানায় প্রেরণ করা হয়। পুলিশ ফাঁড়ির সার্বিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন একজন এস.আই অথবা সার্জেন্ট ।

ফাঁড়িতে স্থানীয় জনসাধারন তাদের অভিযোগ প্রাথমিক ভাবে কর্তব্যরত কর্মকর্তার নিকট উপস্থাপন করে, যা আইনানুগ সহযোগিতা পেয়ে থাকেন। সামাজিক সমস্যা নিরুপনে পুলিশ ফাঁড়ির ভূমিকা অপরিসীম। এছাড়া দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি ফাড়ি পুলিশ কমিউনিটি পুলিশের সহায়তায় অপরাধ সমুহ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ০৪টি তদন্ত কেন্দ্র সহ সর্বমোট ১৬টি ফাঁড়ি রয়েছে-

নারায়নগঞ্জ সদর মডেল থানা :
০১। টানবাজার পুলিশ ফাঁড়ী।
০২। শীতলক্ষা পুলিশ ফাঁড়ী।
০৩। চাষাড়া পুলিশ ফাঁড়ী।
০৪। আর.টি.ও.পি (সদর) নৌ পুলিশ ফাঁড়ী।

ফতুল্লা মডেল থানা :
০৫। হাজীগঞ্জ পুলিশ ফাড়ী।
০৬। বক্তাবলী নৌ পুলিশ ফাড়ী।

বন্দর থানা :
০৭। বন্দর পুলিশ ফাড়ী।
০৮। মদনগঞ্জ পুলিশ ফাড়ী।
০৯। ধামগড় পুলিশ ফাড়ী।
১০। কলা গাছিয়া নৌপুলিশ ফাড়ী।
১১। কামতাল তদন্ত কেন্দ্র।

রূপগঞ্জ থানা :
১২। ভূলতা পুলিশ ফাড়ী।
১৩। ভোলাবো তদন্ত কেন্দ্র।

আড়াইহাজার থানা :
১৪। খাগকান্দা নৌ পুলিশ ফাড়ী।
১৫। গোপালদী তদন্ত কেন্দ্র।
১৬। কালাপাহারিয়া তদন্ত কেন্দ্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *